সুখ পাখি আর দুখ পাখি

বেলাল উদ্দিন আরমান:- পর্ব:২ সুখ পাখি আর দুখ পাখি ঐ রাজ্যে একটি গাছের নিচে বসল। সুখ পাখির প্রিয়জন একটু দুরে কিন্তু তাদের দেখতেছে। মজার ব্যাপার হলো দুখ পাখি কিন্তু তাকে চিনে না। সুখ পাখি তার প্রিয়জনেরর দিকে থাকিয়ে আছে আর মনে মনে বলে হায়রে দুনিয়া কার ভাগ্য যে কোথাই এসে দাড়াঁয় একমাত্র প্রভু জানে। কিন্তু সুখ পাখি লক্ষ্য করল তার প্রিয়জনের চোঁখের কোনাই পানি। একটু পর দুখ পাখি: আচ্ছা তুমি ( সুখ পাখি) এখানে বসো আমি থাকার জন্য বাসা দেখি সুখ পাখি: আচ্ছা,সাবধানে যেও তাড়াড়াতি এসো। দুখ পাখি: ওকে, তুমি…

Read More

সুখ পাখি আর দুখ পাখি

বেলাল উদ্দিন আরমান:- পর্ব: ১ *এই সুন্দর গগনে, কেউ আসে সুখ আর কেউ দুখ নিয়ে। আমি আজ লিখিতে বসেছি সুখ আর দুখ পাখির জীবন দশার পার্থক্য নিয়ে। যা আমাদের সমাজে বিরাজমান। * এক ছিল সুখ পাখি, সে তার প্রিয়জনের সাথে এমন একটি রাজ্যে যাচ্ছে যেখানে সব কিছুতে পরিপূর্ণ। তারা দুইজন নীল আকাশের মাঝে স্বপ্ন বুনতে বুনতে আনন্দের উল্লাসে উড়ছে,,,,,,, কিছু দূর যাবার পর সুখ পাখির ডানায় আঘাত পেয়ে আর উড়তে পারছে না তখন তারা একটি গাছের ঢালে এসে বসল। সুখ পাখির ডানা ঠিক হতে অনেক সময় লাগবে মনে করে, সুখ…

Read More

ভুলের ভেতরে আটকে থাকা নারীর গল্প!

রফিকুল ইসলাম রাইসুল:- গত কয়েকদিন আগে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে। কি নির্মম ভাগ্য জানি না গাড়ির পাশের সিটে প্রায়সময় মহিলার সিট পড়ে,অতঃপর না পৌঁছানো পর্যন্ত সিটের একপাশে হেলিয়ে থাকতে হয়। কারণ অপরিচিত মানুষের গায়ে লাগলে কি না কি মনে করে। যাক কথা হচ্ছে,পাশের সিটের মেয়েটি আনুমানিক ইন্টারে পড়ুয়া(পরে জানতে পারছি,২য় বর্ষে চট্টগ্রামের একটি কলেজে)। গাড়ি চলতেছে,চলতে চলতে আমিরাবাদ পর্যন্ত গেছে, দেখলাম ঘনঘন কল আসতেছে তার মোবাইলে। গাড়ি চকরিয়া অবধি পৌঁছালো,হঠাৎ মেয়েটি ভাইয়া বলে আমাকে ডাক দিলো। আমি বললাম বলুন?তিনি বললেন,কক্সবাজার পৌঁছাতে কতক্ষণ লাগবে আর? আমি বললাম,আরো ২ ঘন্টা…

Read More

দু-মুঠো ভাতের সন্ধানী প্রণয়িনীর গল্প

রফিকুল ইসলাম রাইসুল:- মাস পাঁচেক আগে বাড়িতে গেছিলাম, মোটরসাইকেল চালাতে অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তখন বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে কক্সবাজার আসতেছি, বন্ধু কাজী আবদুল্লাহর সাথে আড্ডা এবং কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সময় কাটাবো। অনেক্ষণ ঘুরলাম,শেষে চলে আসার সময়, কাজী আবদুল্লাহ তার বাড়ির দিকে রওনা হলো। আমি এক বড় ভাইকে মোটরসাইকেল করে পৌঁছে দেয়ার জন্য কক্সবাজার বৌদ্ধ মন্দির, চৌ রাস্তার দিক দিয়ে ওনার বাসায় যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বাড়ি থেকে ফোন আসে,আমি তাড়াতাড়ি যেন বাড়িতে পৌঁছায়। তাড়াতাড়ি যেন পৌঁছাতে পারি, তাৎক্ষণিক ঐবড় ভাই বললো, এই রোড় দিয়ে তুমি সুগন্ধা বীচের মুখের সামনে বের হতে পারবা।…

Read More

অঙ্গার ॥ দিনা বড়ুয়া (দ্বিতীয় পর্ব)

উনার তোকে বেশ পছন্দ হয়েছে। শারদাকেও তোর কথা বলেছিলুম। আমি আর থাকতে না পেরে জিজ্ঞাস করলুম-ও কি বলল। শ্রীকান্ত বলল, কিছুই বলেনি। শুধু মুচকি হাসি দিয়ে চলে গিয়েছে। আমার মনে হয় পছন্দ হয়েছে। তুই অত ভাবিস না। আমি আজ রাতে আমার পীসা মশাইকে বলে দেখব। এরপর আমি ওখান থেকে চলে আসলুম। এর কিছুদিন পর শ্রীকান্ত আমাকে আবার যাওয়ার জন্যে খবর দিল। যথারীতি আমি গেলুম। শ্রীকান্ত বলে আমার পীসামশাইও রাজি। তুই তোর দাদা -বৌদির সাথে কথা বলে দেখ। আমি আচ্ছা বলে ওখান থেকে বিদেয় নি। এরপর বাড়ি এসে বৌদিকে সব বলি।বৌদি বলে…

Read More

অঙ্গার ॥ দিনা বড়ুয়া

অঙ্গার! বাবা আমার! অঙ্গার! কোথায় বাবা তুই? তোরা কেউ দেখেছিস আমার অঙ্গারকে? ওকে আমি অনেকদিন ধরে খুজছি। কিন্তু খুজে পাচ্ছি না।সবাই বলছে, “আমার অঙ্গার রাতের আকাশের তারা হয়ে গিয়েছে”। কেন সবাই এমন বলছে? আমার অঙ্গার আছে। আছে আমার অঙ্গার। কিন্তু আমার সামনে আসছে না। কেউ আমার কথা বিশ্বাস করছে না। সবাই ভাবছে আমি পাগল হয়ে গিয়েছি। আমাকে সবাই পাগলি বলে ডাকছে। আমি রাস্তায় বের হলে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা আমাকে ঢিল ছুঁড়ে মারে। বাবা তুই ওদের বলে দে না তুই আছিস। কোথায় আছিস তুই বাবা? ফিরে আয় বাবা আমার কাছে। আমার ঘরে একা…

Read More

নিয়ত ॥ হালিমা মুক্তা

আর কিছুদিন বাদেই ঈদুল-আযহা। আলম সাহেব তাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার তারা গ্রামে যাবেন। প্রতি বছরই ঢাকায় কুরবানি দেন। এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গ্রামে কুরবানি দিবেন। অনেক আগে আলম সাহেবের বাবা-মা বেঁচে থাকতে বাড়িতে কুরবানি দিয়েছিলেন। এরপর আর যাওয়া হয়নি। আলম সাহেবর একমাত্র ছোট ভাই পারভেজ বাড়িতে থাকে। তার দুইটা বাচ্চা আছে।আলম সাহেবের বড় ছেলে এইচ.এস.সি. পড়ছে। সেও তেমন গ্রামে যেতে চায় না। বলে দাদা-দাদু নেই। তাই এখন আর মজা নেই। ঢাকাতেই তার বন্ধু-বান্ধব। সে বলে ঢাকাতেই থাকলে আরো ভালো হয়। বন্ধু-বান্ধদের সাথে আড্ডা দেওয়া যায়,ঘুরে বেড়ানো যায়। আলম সাহেব এবার চিন্তা…

Read More

সংসার ॥ হাসান মাসুদ

স্কুলের ডিউটি শেষ করে ক্ষুধার্ত এবং ক্লান্ত শরীরে হাসান সাহেব বাসায় ঢুকে দেখে—  স্ত্রী গম্ভীর মুখ করে দেয়ালে ঠেস দিয়ে বসে আছে। কি হয়েছে? হাসান সাহেব বিছানায় বসে শার্ট খুলতে খুলতে স্ত্রীর কাছে জানতে চায়। কি আর হবে। সব আমার কপালে ছিলো। কপালে কি ঘটেছে? ঘটবে কি? ঘটার কি আছে? তোমার সংসারে আসার পর থেকে বলো তুমি আমায় কি দিয়েছো? মানে? লুঙ্গি পরতে পরতে খানিকটা বিষ্ময়ে স্ত্রীর চোখে তাকায় হাসান সাহেব। সেই কবে বিয়ের সময় কানের একজোড়া দুল দিয়েছিলো। তারপর দু’গাছি চুড়ি। আর কোনো কিছুই তাকে দেয়নি কিংবা দিতে পারেনি…

Read More

রক্তাক্ত বিড়াল

রক্তাক্ত বিড়াল ।। লোকমান হাফিজ পাখির কোলাহল শুরু হতে না হতেই। সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যার যার কাজ নিয়ে। মানুষের কত কাজ। আর এর ব্যতিক্রম নয় কিন্তু ছোটোরাও। তারাও ব্যস্ত হয়ে পড়েন বড়দের মতো। ভোর হতে না হতেই আজকাল বড়দের মতো ছোটোদেরও ডিউটি শুরু হয়ে যায়। ঘুম থেকে ওঠে দাঁত ব্রাশ করে মুখ ধোওয়া। নাস্তা করা। স্কুলের জন্য রেডি হওয়া। স্কুলে যাওয়া। স্কুল থেকে এসে গোসল করা। দুপুরের খাবার খাওয়া। তারপর বিকেলে ঘুমুতে যাওয়া। এই ধরনের রুটিন থাকে তাদের। একই ধরনের রুটিন নাহিদেরও। এরকম বন্ধি জীবন কারই বা ভালো লাগে।…

Read More