সাইনুল ইসলামের কবিতা

             বিশ্ব ইজতেমা –  সইনুল রহমান আকাশ চল চল আমরা সবাই ইজতেমাতে যাই।            ঐ খানেতে যাইয়া পরে দীনের কথা শুনি। দীনের কথা শুনে মোরা ঈমান তাজা করি। ঈমান তাজা হবে যখন খোদার আদেশ মানবো তখন।                                                      খোদার আদেশ মানলে পড়ে নাজাত পাইব হাশরে।                         …

Read More

যদি লাশ হয়ে যায়

যদি লাশ হয়ে যায় –মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন। প্রতিবাদী লেখনীর জন্যে জালিমের হাতে যদি লাশ হয়ে যায়। মাগো তুমি কেঁদো না, দু’হাত তুলে বিচার দিয়ো খোদার কাছে তবে। হাশরের ময়দানে বলবে তুমি হেসে, আমি শহীদের জন্মদাতা মা হে খোদা। মাগো শহীদের মর্যাদা দিয়েছেন, স্বয়ং খোদা তাআলা কুরআনুল কারীমে। মাগো তুমি কেঁদো না, দু’হাত তুলে মুনাজাত করিয়ো খোদার কাছে, আমায় যেনো জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব হয়। শহীদের মর্যাদায় মরণ দিয়ো হে খোদা, আর ক্ষমা করো আমায় হে রহমান- রহীম।

Read More

নৈবেদ্য রোদন-কাফি আনোয়ার

সযত্নে মণিমানিক্যের মত সাজিয়েছিলে তোমার লালিত চেতনার মালঞ্চ, বিনীত দুর্নিবার কন্ঠে বিমূর্ত অনলবর্ষণে পুড়িয়েছ কত দ্রোহ আর জনাকাংখার যন্ত্রণা, পুড়িয়েছ প্রতিক্রিয়াশীলচক্রের বিস্তৃত নৃশংস কুশ, পুড়িয়েছ দুর্বিনীত হুংকার। অনিরুদ্ধ সম্মোহনের সস্নেহ মগনে তুমি ছিলে ঝড়ে নীড়ভাংগা বিহংগের অভয়াশ্রম। এই জনপদে আবাদ করেছে পিতার চেতনা, বপন করেছ মুক্তির মন্ত্র, স্বৈরশাসকের অপশাসন-ত্রাসনে ঢেলেছ ত্রস্থ বিপ্লবের নতুন ছত্র। দৈবতুফানে বজ্রনিনাদে পেতে দিয়েছ তোমার প্রশস্ত বক্ষ বার বার। অথচ কত অযত্মেই বেড়ে উঠছে তোমার কবরের ঘাসগুলি, কত নিস্তব্ধ অভিমানে নিভে গেছে ব্যথাতুর জোনাকিরা। সন্তপ্তবিলাপে ঘুমপাড়ানী গানে তোমার জেগে থাকা বিদগ্ধা জননী তোমারই সমাধি পাশে স্বর্গসিঁড়িতে…

Read More

আমি ভালোই আছি ॥ দিনা বড়ুয়া

জানো? তোমায় আজকাল খুব মনেপড়ে। কারণে অকারণে। শুনেছি তোমার নাকি আজকাল ব্যস্ততা বেড়ে গিয়েছে। শুনে খুবভালোলাগলো। যাক একসময়ের অব্যস্ত মানুষ আজকাল ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুনেছি তোমার পাশে আজকাল সিঁথি রাঙিয়ে কপালে লাল আচঁড় কেটে লালপাড়ের সাদাশাড়ি গায়ে জড়িয়ে অন্যকেউ হাঁটে।একটা সময় ছিলো আমার এই সাজ নাকি তোমার কাছে সঙ এর সাজ ।ভালোই হয়েছে তোমার পাশে আমার অবর্তমানেঅন্যকেউ হাঁটছে। কী এসে যায় তাতে? তুমি ভালো আছো এইটাই আমার কাছে বড় পাওনা। আমি ভালোই আছি। জানালা খুললে সকালের সূর্যেরহাসি দেখতে পায়।নরম ঘাসে পা রাখার সাহস পায়। কখনো কখনো শেষ বেলায় বিলের প্রান্তে…

Read More

বিভেদ ॥ সুমাইয়া আফরিন সাদিয়া

ছিন্ন করবো আমি সমাজের মূল, যে সমাজের পদে পদে ভুল আর ভুল। যেখানে রাজপথ আজ রাজকীটের ক্ষেত্র, হয়েছে পুরুষের কাছে নারীরা রপ্ত। যে সমাজে গরীবের ধন— ধনী কাড়ে, পায়ের নিচে তারে পিষে পিষে মারে। সম্মান হারায়ে নারী ঘুরে ঘুরে মরে, ঘাতকের শাস্তির দাবিতে বিচারের দ্বারে দ্বারে। খুলবো চলো সমাজের এক নতুন দুয়ার, দেবো না মরতে কোনো তনুকে আর। মায়ের দেশে দেয়া হোক মায়ের সম্মান, যে মায়ের চেষ্টা আমার ভিতর আপ্রাণ। সমাজতন্ত্র আজ কেনা গোলাম, শাসক গোষ্ঠীরেই সে করবে সালাম। যে আইনে অসৎ এর মাল্যই উপহার, দুমড়ে মুচড়ে করিবো সে আইন…

Read More

মোরশেদ আলমের কবিতা : নুর হোসেন

নুর হোসেন        – মোরশেদ আলম               (উৎস্বর্গ – স্বৈরাচার আন্দোলনের সকল সেনানী) গনতন্ত্র মুক্তিপাক,স্বৈরাচার নিপাত যাক প্রেতাত্নাদের নখর- কেশে মুক্তিসেনার সোনার দেশে শৃঙ্খলিত-নির্জিত ঐ                 ক্রুর ঝটিকা দূত পাঠাক। রুদ্ধ নিশির প্রেত উচ্ছ্বাস বক্ষ দাহে অগ্নিগিরি লুব্ধ চোখের দৃষ্টি গেল উগ্র মরুর দূর্গ চিরি। ঝড়ের কবল নড়ে প্রবল বিরাঙ্গনার বসত ভিটা অন্ধদেশের বুকের ক্ষতে গিরগিটিদের ব্লিচিং ছিটা, আমি বাংলার বক্ষ ভেদে দেখেছি ধুম্রজাল দেখেছি মত্ত্ব হায়েনা,শকুর, রক্তের গাঢ় লাল। চিল- শকুনের বিভীষিকায়      …

Read More

অনন্তকাল তারাই বাঁচে

অনন্তকাল তারাই বাঁচে -মুহম্মদ নূরুল হুদা সূর্যের বুকে জন্ম নিলো আলো। সেই আলো বুকে নিয়ে উদিত হলো সূর্য। তারপর দশদিগন্ত আলোকিত করে সূর্য চললো গগনে গগনে। হিংসা হলো অন্ধকারের। সেও নাছোড়বান্দার মতো তাকে তাড়া করলো। তবে দেখা মাত্র তাকে গিলে খেলো আলো। তাই দেখে ভোরের পাখি ভীষণ মজা পেলো। উদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সে-ও সূর্যের পিছু নিলো। দিন গড়িয়ে রাত এলে তো আসবে অন্ধকার। ‘তখন কি করবে এই সূর্য, এই আলো?’ ভেবে ভেবে কূল পেলো না সে। – রাত এলে তুমিও কি করবে পাখি? – কেন? গাছে গাছে পাতাদের নীড়ে ঘুমিয়ে…

Read More

ফেরদৌস সুলতানার কবিতা

    তোমার বিচরন             – ফেরদৌস সুলতানা দিগন্তের মাঝে হারিয়ে খুজিঁ সেই চেনামুখ। অবারিত ফসলের প্রান্ত ছুয়েঁ নীলাআকাশ। কাশফুলে ফুটে নদীর পাড়ে যেন শুভ্রবসনে রমনী। ঝিলেফুটে লালশাপলা এক তরুনের হাতের বাশিঁ। রক্তিমপলাশে ফাগুন আজ মাতমহারা প্রেমিক। শিশিরে ভেজা দুর্বাঘাসে লজ্জাবতী আড়ালে প্রেষসীর ভেজাচুল। কবিতায় মন বসেনা আজ সবই নির্বাক! তবে কি তুমি এসেছো প্রিয় শততমপ্রেমিক স্বামীছিলে। এসেছো কি পরাগমেখে নয়নের ভালোবাসার ফাল্গুধারা নিয়ে! তুমি এসেছো কি আমার হৃদআসনে ভালোবাসার ফুলঝুড়ি নিয়ে।

Read More

সন্ধাবেলাঃ-মোহাম্মদ ওসমান গনি হাসান।

কোনো এক সন্ধাবেলা সুধাপাত্রে তুমি এসেছিলে অনিন্দিতা, আমার অশোকের পদপ্রান্তে হয়ে তুমি অকুন্ঠিতা। তোমার মধুমত্তে মুগ্ধ কবি ছন্দে ছন্দে নেচে উঠে, যেন বিকশিত স্বর্গদেবী যূথিকার বৃন্তে ফোটে। এই জগতের অশ্রুধারে ক্ষনিক জীবনের ছায়ারেখা, হাস্য মুখে বারে বারে তুমি শুধু দিও দেখা। তোমায় কলা ফুলের নলক দিবো দিবো কানে বাবলা দুল, কদম কেয়ায় সাজিয়ে দিবো তোমার ঘন কালো চুল। আমি জোনাক ফুলে রাত সাজাবো তোমার মনের গহীন কোণে, তোমায় দেখে চাঁদ লুকাবে মুক্ত আকাশের কালো মেঘের বনে। আমি দিবারাত্রি সুখ কুড়াবো তোমায় সঙ্গে নিয়ে, এমনি করে যাক না চলে জনম জনম…

Read More

ফেরদৌস সুলতানার কবিতা আশাহুত

            আশাহুত                                                            –ফেরদৌস সোলতানা কি দেবো তোমায়? নেইতো আমার কাছে কোন দামী রত্ন! নেই বাসরে ফুলের সম্ভার! নেই আমার উঠোন ভরা ধানের গুদাম। পুকুর ভরামাছ,গোয়াল ভরা গরু! নেই দামি শাড়ি গায়ে,,,,, আছে শুধু ছেড়াঁ কাপড়ে যৌবনটা কে ঢেকেছি নিষ্ঠুর নরক দৃষ্টির আড়ালে। রয়েছি দারিদ্রতার সোপানে। রেখেছি ভালোবাসার অনলকে জ্বালিয়ে। দেখেছি বাশঁতলাতে বসে নীলাকাশের ঐ অর্ধ চন্দ্রটাকে।…

Read More