কুরবানি হোক মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে

প্রকাশিত: ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০২০

তাহসিন মোহাম্মদ ঈসমাইল:-

প্রতিবছরের ন্যায় আবারো আমাদের সামনে হাজির হলো ত্যাগের মহিমায় উদ্বেলিত হয়ে তথা পশু কুরবানি দেওয়ার মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামিন এর সান্নিধ্যে যাওয়ার এক পরম মুহুর্ত।
ঈদুল আযহা মুসলমানদের এক অন্যন্য আনন্দের দিন আরাফা দিবসের ব্যাপক মাগফিরাত, আল্লাহর দরবারে কুরবানি পেশ করার সৌভাগ্য এবং আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়া কুরবানি থেকে মেহমানদারী লাভ ওই আনন্দের কারণ। বলাবাহুল্য, এই তাৎপর্য অনুধাবন করার জন্য অন্তরে প্রয়োজন ঈমানের দৃঢ়তা এবং মিষ্টতা ও খালিক, মালিকের মহব্বত ও ভালোবাসা পক্ষান্তরে বস্তুবাদী ও যুক্তিপূজারী হৃদয় দুঃখজনকভাবে এ আল্লাহর নিয়ামত রহমত থেকে সরাসরি বঞ্চিত।পৃথিবীতে করোনার এমন ভয়াবহ অবস্থায় যেখানে সারা দুনিয়া প্রায়শয় লণ্ডভণ্ড হওয়ার অবস্থা এমনকি চারদিকে সুনশান নিরবতা বিরাজ করছে যেখানে পৃথিবীর সব চেয়ে বাঘা বাঘা রাষ্ট্রসমূহ ক্রমশ শক্তিহীন হয়ে পড়েছে এমনকি সারাজাহানের মানব সমাজ আজ তার সৃষ্টিকর্তার বিশেষ রহমতের আশায় মসজিদ মন্দিরে মঞ্জিলে এমনকি নিজ নিজ ধর্মের সর্বোচ্চ তীর্থস্থানে সবিনয়ে দু-হাত তুলে প্রভুর দয়া কামনা করে যেনো তার বিশেষ কৃপায় আবারো স্বাভাবিক ভাবে পৃথিবীতে শান্তির মশাল জ্বলে আসুক যেনো পৃথিবী আবারো তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক।
পৃথিবীর এমন অস্বস্তিকর সময়ে মহান রাব্বুল আলামিন এর নির্দেশনা মত আমাদের জন্য হাজির হলো পবিত্র ঈদুল আজহা যেটাতে রয়েছে গোটা মুসলিম মিল্লাতের এক তাৎপর্যপূর্ণ ফজিলত যেটার মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামিন এর একেবারে সান্নিধ্যে যাওয়ার এক মহান সুযোগ রয়েছে। এখানে তিনি মানুষের মনের অভ্যন্তরীণ বিষয় কে সব চেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি মানুষের উপরের কোনো দিক দেখেন না শুধু মাত্র অন্তরের নিয়ত কে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছেন।তাই আসুন রিয়া মুক্ত করে লৌকিকতা পরিহার করে একমাত্র মহান আল্লাহর জন্য মহান প্রভুর দয়ার জন্য এক মাত্র তার জন্যই কুরবানি করি
কুরবানি দেওয়ার পাশাপাশি মহান রাব্বুল আলামিন সেখানে সমাজের এবং প্রতিবেশীর আত্নীয়-স্বজনের হক্ব সঠিক ভাবে আদায় করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন, যদি আপনি কুরবানি করে আপনার প্রতিবেশীদের খবর না নেন তাদের প্রাপ্য বুঝিয়ে না দেন তাহলে আপনার কুরবানি কবুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই এটা নিশ্চিত।আজ এমন একটি সময়ে কুরবানি দেওয়ার সময় হাজির হলো যেসময় মানুষ দিকবিদিক হারিয়ে শুন্যতায় ঘুরছে শুধু মাত্র বেঁচে থাকার এক টুকরো আশার প্রদীপ খুঁজে চলছে বলাবাহুল্য অধিকাংশ মানুষ নিঃস্ব অসহায় হয়ে পড়েছে তাই যাদের সামর্থ্য আছে তারা মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশু কুরবানি দিবে এবং তাৎক্ষণিক তার প্রতিবেশীদের হক্ব মহান আল্লাহর নির্দেশ মত আদায় করবে।