করোনা আতংক ঈদগাঁওতে: বের হচ্ছেনা মানুষ, বাড়ীতেই অবস্থান !

এম আবুহেনা সাগর, কক্সবাজার:

করোনা ভাইরাস আতংকে দক্ষিন চট্রলার বৃহৎ বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের সব দোকান পাঠ বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীসহ সাধারন লোকজন অপ্রয়োজনে ঘরবাড়ী বের হচ্ছেনা সহজেই। এমনকি প্রয়োজনীয় কাজকর্ম ছাড়া বৃহত্তর এলাকার লোকজন তেমন বাজারমুখীও হচ্ছেনা। নিরাপদে বাড়ীতেই অবস্থান করছেন,নিজে এবং পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচতে।

বাজারের নিউ মার্কেট,শফি সুপার মার্কেট,রহমানিয়া মার্কেট,হাজী মার্কেট,বেদার মার্কেট,মাতবর মার্কেট,স্বর্ণ পল্লী এলাকা,কাপড় গলিসহ বিভিন্ন জাতের দোকান বন্ধে, কোলাহলে মুখরিত পুরো বাজার যেন হঠাৎ নিরব হয়ে পড়েছে। তবে খোলা রয়েছে ফার্মেসী, মুদির দোকান হাসপাতাল,ব্যাংক ও কাঁচাবাজার সমুহ। তবে ঈদগাঁওর দোকানগুলোতে কদিন ধরে চরম মন্দাভাব চলছিল ব্যবসা বানিজ্যে। সে সাথে দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীলসহ খেটে খাওয়া লোকজন একদিকে ভাইরাস আতংকে,অন্যদিকে রোজগার নিয়ে বিপাকে।

ঈদগাঁও বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী শংকর আচার্য্য এ প্রতিবেদককে জানান, বেশকদিন ধরে স্বর্ণের দোকানে ব্যবসা বানিজ্যে মন্দাভাব বিরাজ করছিল। করোনা আতংকে লোকজন ঘরবাড়ী থেকে ঠিকভাবে বেরও হচ্ছেনা। এক আতর টুপি বিক্রেতা জানান, একদিকে ভাইরাস আতংক,অন্যদিকে মন্দাভাব ছিল ব্যবসায়। দুই সমস্যায় জর্জরিত ব্যবসায়ীরা।

দেশের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় করোনা ভাইরাস আতংকিত রয়েছেন ঈদগাঁও, জালালাবাদ ইসলামাবাদ, ইসলামপুর ও পোকখালী ইউনিয়নের লোকজন। যার ফলে দোকানপাঠ বন্ধ করে ব্যবসায়ীসহ লোকজন ঘরে নিরাপদ ভাবে অবস্থান করছেন। তবে পাড়া মহল্লায় নারী পুরুষসহ সর্বশ্রেনী পেশার লোকজনের মাঝে বেড়েছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা, বেড়েছে দুশ্চিন্তা। এ ভাইরাস থেকে নিজে ও নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে গ্রামেগঞ্জে জনসচেতনতা অতীব জরুরী। তবে গ্রামীন জনপদের চায়ের দোকানে এখনো চলছে আড্ডাবাজি। দেখার যেন কেউ নেই।

প্রসঙ্গত : গত ২৪ মার্চ বিকেলে সদর সহকারী কমিশনার ভুমি ঈদগাঁও বাজারকে লকডাউনের নিদের্শনা প্রদান করেন। এসময় জনপ্রতিনিধি, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ,ইউনিয়ন ভুমি অফিস নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিল। নিদের্শনা প্রদানের ঘন্টাখানিক পর থেকে দোকানপাঠ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে ছুটে যান ব্যবসায়ীরা।

Related posts

Leave a Comment