উখিয়ার রেজুখাল মেম্বার শামশু এবং মুফিজ উদ্দীনের ইয়াবার নতুন পথ

প্রকাশিত: ১০:২৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :-

মানবপাচারের এয়ারপোর্ট খ্যাত জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামের রেজুখাল ইয়াবার নতুন পথ বলে দাবী স্থানীয়দের।
জানা যায়, কুতুপালং ক্যাম্পের বেশকিছু রোহিঙ্গা নারীদের মাধ্যমে সকাল সন্ধ্যা চেকপোস্ট ফাঁকি দিয়ে উখিয়া পলিয়াপাড়া রাস্তা দিয়ে সরাসরি জুম্মাপাড়া পুরাতন ক্যাম্পে প্রতিনিয়ত ইয়াবা আসছে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড়ের বর্তমান মেম্বার শামশুল আলম(প্রকাশঃডাকাত শামশু) এবং তার ছোট ভাই বর্তমান ৩/৪টি মামলা সহ মানব পাচারের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মুফিজ উদ্দীনের হাতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুফিজ উদ্দীন ছিলেন একজন সাধারণ সিএনজি চালক। মুফিজ ২০১৪ সালে থেকে তার বড় ভাই ইউপি সদস্য শামশুল আলমের ক্ষমতার দাপটে রেজুখাল দিয়ে ছোট ছোট ট্রলারে নিরীহ, অসহায় রিক্সা চালক,দিনমজুর, রোহিঙ্গা নারীদের পাচার করে হাতিয়ে নিয়েছিলেন কোটি কোটি টাকা।পরে বেশকয়েকটি পাচার মামলার আসামীও হই।
মানবপাচার করে খুলে যায় মুফিজের কঁপাল, হয়ে যায় আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। থেমে যায় সিএনজি ড্রাইভার মুফিজ উদ্দীনের সিএনজি যাত্রা। মধ্যখানে কিছুদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে নিজেকে অপরাধ জগত থেকে আড়াল করলেও পরবর্তীতে খুঁজে নেয় রাতকে দিন বলা সেই মরণঘাতী ইয়াবা ব্যবসা। ইসলাম ধর্ম এবং বাংলাদেশে মানব এবং মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো ট্রলারেন্স নীতি, অবৈধ কর্মকান্ড মদ্যপান ও ব্যবসা,জুয়া খেলা, নিষিদ্ধ থাকলেও প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা মানব পাচারের মামলার ওয়ারেন্ট আসামী মুফিজ উদ্দীন।

ইয়াবা ব্যবসায়ী মুফিজ উদ্দীনের সম্পদ সম্পর্কে অনুসন্ধান করে জানা যায়, সোনাইছড়ি গ্রামের কাসেম মার্কেট সংলগ্ন সমিতি ঘোনায় ভাড়ায় চালিত সাবেক সিএনজি ড্রাইভার মুফিজ উদ্দীনের রয়েছে কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা রাজপ্রসাদ, ৮টি সিএনজি, ৩টি ২লক্ষ টাকা মূল্যের বাইক সহ নগদ ৩/৪কোটি টাকা।

সিএনজি চালক থেকে কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া মুজিফ উদ্দিনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ জনসাধারণ। এলাকার প্রবীন মুরব্বী,রিক্সা চালক,সাধারণ জনতাকে গায়ে হাত দিয়ে মারধর সহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিনিয়ত করেই যাচ্ছে এই মুফিজ।

মেম্বার শামশুল আলমের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মানবাধিকার  শামশু মেম্বার একজন সাজাপ্রাপ্ত শীর্ষ ডাকাত উল্লেখ করে বলেন, “সে ইউপি সদস্য হওয়ার সুবাদে এলাকায় ক্ষমতার রাজত্ব গ্রাস করে প্রতিনিয়ত ইয়াবা ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে। তার অত্যাচারে মানুষ হতাশ, কখনো জমি দখল,কখনো নারী দর্শন আবার কখনো অপরাধীদের সাথে আঁতাত করে অনৈতিক কাজে ভাগ বসানোই তার মূল টার্গেট। তাই প্রশাসনের কাছে সাধারণ জনতার আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ইয়াবার ডিলার মুফিজ উদ্দীন এবং ডাকাত শামশুকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়ে সরকারের জিরো ট্রলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন এবং দেশকে মাদক মুক্ত করে স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তরের দৃষ্টান্ত স্থাপনই বর্তমান সরকারের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও সফলতার একধাপ অতিক্রম করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করি”।