ঈদগাঁওর হাজীরকুমে ব্রীজ থাকলেও সড়ক নেই !

প্রকাশিত: ৯:০৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও:

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওর মেহেরঘোনা হয়ে মাইজপাড়া যাতায়াতের হাজীরকুম সড়কটি দীর্ঘকাল ধরে অযন্তে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ব্রীজ থাকলেও নেই চলাচল সড়ক। দেখার কেউ না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েন এ সড়কের চলাচলরত লোকজন। তথ্য মতে, ২০১৫ -২০১৬ অর্ধ বছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট নির্মান প্রকল্পে ঈদগাহ মাইজ পাড়া হাজীরকুম খাল। এটি বাস্তবায়ন করেছে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধি দপ্তরের আওতাধীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। ব্রীজ নির্মানের দীর্ঘকাল পার হলেও এ সড়কটি এখনো আলোর মুখ থেকে বঞ্চিত। যার ফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন বৃহত্তর এলাকার বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী। এ সড়ক যদি নির্মান করা হয়, তাহলে লোকজনের যাতাযাত অনেক টা সহজতর হত।

ঈদগাঁওর মাইজপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার লোক জন অতিসহজে গ্রামীন সড়ক পার হয়ে প্রয়োজনীয় কাজকর্মে অল্প সময়ের ব্যবধানে ককসবাজারে আসা যাওয়া সম্ভবপর হতো। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা অনায়াসে এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারতো। রোগীদের জন্য অতি সহজতর হতো সড়কটি। বাজার এলাকা হয়ে ঘুরে আসার ক্ষেত্রে সময় ও অর্থ অপচয় কম হত। ঈদগাঁও মেহেরঘোনাস্থ মহাসড়কের লাগোয়া থেকে অর্ধকিলোমিটার পযন্ত পড়ে থাকা সড়কটি যদি সংস্কার করা হয়, তাহলে এলাকাবাসীর জন্য সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি হবে। ঈদগাঁও দক্ষিন মাইজপাড়ার এক ব্যবসায়ী দেশের নিউজকে জানান, এ গ্রামীন সড়কটি মেরামত হলে সর্বশ্রেনী পেশার লোকজনের চলাচলের ক্ষেত্রে সহজতর হবে,অযথা দূর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে ও এলাকাবাসী দ্রুতসময়ে মহাসড়কে অবস্থান করতে পারবে। মধ্যম মাইজপাড়ার শামসু, কাসেম, আজিম, শফি,রিয়াদ, আলমসহ অসংখ্য পথচারীরা জানান,দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকা সড়কটি যদি সংস্কারের মুখ দেখে, তাহলে এলাকার লোকজনদেরকে ঈদগাঁও বাজার পেরিয়ে মহাসড়কে আসতে আধঘন্টা সময় হলেও ,সে ক্ষেত্রে ১০/১৫ মিনিটে পায়ে হেটে সরাসরি মহাসড়কে পৌছানো সম্ভব হবে। তাছাড়া সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। দীর্ঘদিন পূর্বে হাজীরকুম পয়েন্টে একটি ব্রীজ নির্মান করে রেখেছে। তাতে এ সড়কটি পরিপূর্ণ সংস্কার না হওয়ায় জন ও যান চলাচল করতে পারছেনা। বৃহত্তর এলাকার জনগোষ্ঠীর দৈনিক চলা ফেরার জন্য নানাবিদ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা হোক। ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার বজলুর রশিদ কক্সবাজার প্রতিদিনকে জানান, দ্রুত সময়ে এই গ্রামীন সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হবে।