ঈদগাঁওতে খোলাবাজা‌রে গ্যাস সিলিন্ডার : ঝুঁকিতে মানুষ !

প্রকাশিত: ১২:২২ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২০

এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁওঃ

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বাজারসহ বৃহত্তর এলাকার বিভিন্ন হাটবাজারে অবাদে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। এসব সিলিন্ডার বিক্রির ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষ। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকান্ড সংগঠিত হলেই কিভাবে নিয়ন্ত্রন,প্রতিরোধ বা বন্ধ করতে হবে সে বিষয়ক ফায়ার ডিফেন্সের জরুরী ভিত্তিতে মহড়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন লোকজন। বর্তমানে বাজারসহ গ্রামগঞ্জের হরেক রকমের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিকিকিনি চলছে। দেখার যেন কেউ নেই।

সরেজমিনে হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, অন্তত তিন শতাধিকের মত দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। বিধি মোতাবেক গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির জন্য কমপক্ষে পাকা মেঝেসহ আধাপাকা ঘর, ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক সক্ষমতা-সংক্রান্ত লাইসেন্সসহ অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার এবং মজবুত ও ঝুঁকিমুক্ত সংরক্ষণাগার থাকতে হবে। কয়েক দোকানে এসব কিছু থাকলেও অধিকাংশ দোকানপাঠে এসবের দেখা নেই। তারপরেও আইনকে তোয়াক্কা না করে সিলিন্ডার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে হরদম। সচেতন ব্যাক্তিদের মতে, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির ক্ষেত্রে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দেয়া দরকার। নজরদারি না থাকার কারণে যত্রতত্র চলছে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি। ফলে সাধারণ মানুষ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সচেতন লোকজনের মতে, গ্যাস বিক্রি করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স,বিস্ফোরক লাইসেন্স ও অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের ব্যবস্থা থাকতে হয়। এসব কিছু না থাকলেও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে যাচ্ছেন অনেকে। বর্তমানে বৃহৎ ঈদগাঁও বাজারসহ গ্রামীন জনপদের অসংখ্য দোকানে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। মুদির দোকার,চায়ের দোকান,পানের দোকানসহ নানান পয়েন্টে। তদারকি পূর্বক এসবের বিরুদ্বে বিহীন ব্যবস্থারসহ কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস কতৃপক্ষের বিশেষ তদারকির দাবী করেছেন এলাকার সচেতন জনগোষ্টি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক, সহকারী অধ্যাপক মো:সুলতান আহমদ গ্যাস সিলিন্ডারের বিপদ মোকাবেলায় জন্য সচেতনতামুলক একটি মহড়া অতীব জরুরী বলে মনে করেন তিনি।

কক্সবাজার সদর উপজেলা কমিউনিটি পুলিশের এক নির্বাহী সদস্য জানান, বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারকারীদের সচেতন করার লক্ষে এবং অগ্নিদূূর্ঘটনা থেকে বাঁচতে ফায়ার ডিফেন্সের মহড়ার বিকল্প নেই।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসারের সাথে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।