ঈদগাঁওতে অবৈধ বসতবাড়ি উচ্ছেদ!

মিছবাহ উদ্দিন, ঈদগাঁও:

ককসবাজার উত্তর বনবিভাগের মেহেরঘোনা রেঞ্জের সদর বনবিট আওতাধীন চান্দেঁরঘোনা পূর্বপাড়া এলাকায় বসতবাড়ি উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে সকল অবৈধ বাড়িঘর উচ্ছেদ না করেই অভিযান সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ ভোক্তভোগীদের।

২৭ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুন মিয়ার নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন, সদর বিটের বিট কর্মকতা মনজুরুল ইসলাম, মাছুয়াখালী বিট কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, কালিরছড়া বিট কর্মকতা সাইফুল ইসলাম ও বনবিভাগের ষ্টাফ, ভিলেজার এবং বিভিন্ন বাগানের উপকারভোগীসহ অর্ধশতাধিক লোকবলের একটি টিম।

এদিকে ২০০৬/৭ সনের মেয়াদোত্তীর্ণ বাগানে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে চারটি বসতঘর ও পাঁচটি নির্মানাধীন ঘর গুড়িয়ে দেয় বনবিভাগ। এ নিয়ে পাহাড়ী এলাকায় বনবিভাগের জায়গায় বসবাসকারীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলেন, উচ্ছেদকৃত বাড়ি ছাড়াও আরো বসতবাড়ি রয়ে গেছে, যা উচ্ছেদ না করেই অভিযান সম্পন্ন করে বনবিভাগ।

অভিযোগ রয়েছে, বহাল তবিয়তে রেখে যাওয়া বাড়িঘরের মালিকদের পক্ষ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ম্যানেজ হয়ে গেছে বনবিভাগ, যার কারণে বার বার উচ্ছেদ অভিজান পরিচালিত হলেও ঐসব লোকদের বাড়ি গুলো স্বাভাবিক থেকেই যাচ্ছে।

এ বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুন মিয়া বলেন, যে সব বাড়ি বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে তা আমি যোগদানের আগেই নির্মিত হয়েছে। তাই সম্প্রতি সময়ে যে বাড়িঘর গড়ে উঠেছে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছি, তবে বাকি গুলোর ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উত্তর বনবিভাগ কর্মকর্তা হক মাহবুব মুর্শেদ বলেন, একই এলাকায় অভিযান পরিচালনা হলেও কেন এ বাড়িঘর উচ্ছেদ হয়নি তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



লেখাটি পঠিত হয়েছে 833 বার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *